রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Logo মানবিক আওয়ামী যুবলীগ গড়ার প্রত্যয় রাজ পথে Logo বাউফলে বিধবা নারীকে হয়রানি, আদালতে মামলা। Logo শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পল্লবী থানার ওসি পারভেজ ইসলাম। Logo বরগুনার আমতলী হতে র‌্যাবের হাতে একজন গাঁজা ব্যবসায়ী গ্রেফতার। Logo সুনামগঞ্জে সফল নারী উদ্যোক্তা সম্মাননা পেলেন তৃষ্ণা আক্তার রুশনা Logo রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজে ওয়াল্টন এক্সক্লুসিভ শোরুম উদ্বোধন Logo গলাচিপার উলানিয়া বন্দর বনিক সমিতির নবগঠিত কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo কাতারে এসএম সাগরের জমজমাট মাদক ব্যবসা, ঝুঁকিতে অভিবাসন খাত Logo মুরাদনগরে জুমার খুৎবার আযানকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১৫ Logo বারদী ইউনিয়নের মাদ্রাসা এতিমখানা সহ বিভিন্ন অসহায়দের মাঝে লায়ন বাবুলের উদ্যোগে রান্না করা খাবার বিতরণ

দুমকিতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রাম পুলিশকে মারধরের অভিযোগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ / ২৮২ বার পঠিত
সময় : মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ

পটুয়াখালীর দুমকিতে গ্রাম পুলিশ মোঃ আনোয়ার হোসেন (৫৫) কে মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম ছালাম মৃধার বিরুদ্ধে । গত (৯মে) রবিবার দুপুর ১২ টার সময় ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

গ্রাম পুলিশ আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী মোসাঃ ছালমা বেগম বলেন, গত রবিবার শেখ হাসিনার খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি ভিজিএফ এর নগদ অর্থ বিতরণ কালে ইউনিয়ন পরিষদের অনেক মানুষের সমাগম হয়। এসময় লোকজনের ছুটাছুটি সামাল দিতে না পারায় ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম ছালাম মৃধা আমার স্বামীকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটাতে থাকে। পরে আহত অবস্থায় আমার স্বামীকে বাসায় নিয়ে আসে লোকজন। অসুস্থ বেশি মনে হলে সোমবার বিকালে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয় তাকে।

তিনি আরো বলেন, চেয়ারম্যান ছালাম মৃধার সাথে আমার স্বামীর খুব ভাল সম্পর্ক, কিন্তুু তারপরও এই সামান্য বিষয় নিয়ে তাকে লাঠি দিয়ে পিটানোর কি দরকার ছিলো। ইউনিয়ন পরিষদের কাজ ছাড়াও তো তার অনেক কাজ করে দেয় তিনি।

এছাড়াও জানা গেছে, গ্রাম পুলিশকে মারধরের বিষয়টি যখন গণমাধ্যম কর্মীরা জানতে পারে তখন (১০মে) সোমবার সন্ধ্যার পর হাসপাতালে গিয়ে গ্রাম পুলিশের সাথে দেখা করে চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম ছালাম মৃধা। পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ৪ ঘন্টা পর চিকিৎসক নাম না কাটতে চাইলেও কিছুক্ষন পরই গ্রাম পুলিশ আনোয়ার হোসেনের ভাই রাকিবুল হাসপাতাল থেকে তার নাম কেটে বাসায় নিয়ে যান।

জানা গেছে, ঐ দিন দুপুরে আরো দুজন গ্রাম-পুলিশকে মারধর করেন ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম ছালাম মৃধা। তারা হলেন, মোঃ নাজেম আলী এবং মামুন হাওলাদার।

এবিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম ছালাম মৃধা বলেন, আমি কেন গ্রাম পুলিশকে মারধর করি নাই। টাকা বিতরণ কালে ওখানে শতশত মানুষ উপস্থিত ছিলো তারা কেউ বলতে পারবে না আমি আনোয়ারকে মারধর করছি। বিষয়টি রাজনৈতিক ভাবে আমাকে হেয় করার জন্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD