শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Logo মানবিক আওয়ামী যুবলীগ গড়ার প্রত্যয় রাজ পথে Logo বাউফলে বিধবা নারীকে হয়রানি, আদালতে মামলা। Logo শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পল্লবী থানার ওসি পারভেজ ইসলাম। Logo বরগুনার আমতলী হতে র‌্যাবের হাতে একজন গাঁজা ব্যবসায়ী গ্রেফতার। Logo সুনামগঞ্জে সফল নারী উদ্যোক্তা সম্মাননা পেলেন তৃষ্ণা আক্তার রুশনা Logo রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজে ওয়াল্টন এক্সক্লুসিভ শোরুম উদ্বোধন Logo গলাচিপার উলানিয়া বন্দর বনিক সমিতির নবগঠিত কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo কাতারে এসএম সাগরের জমজমাট মাদক ব্যবসা, ঝুঁকিতে অভিবাসন খাত Logo মুরাদনগরে জুমার খুৎবার আযানকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১৫ Logo বারদী ইউনিয়নের মাদ্রাসা এতিমখানা সহ বিভিন্ন অসহায়দের মাঝে লায়ন বাবুলের উদ্যোগে রান্না করা খাবার বিতরণ

সুনামগঞ্জে ৪০ বছর ধরে সুরমার ভাঙ্গন কবলে হবতপুর

দুলাল মিয়া, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: / ১৩৬ বার পঠিত
সময় : মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১, ৪:১৭ অপরাহ্ণ

সারাবাংলা ডেস্কঃ

সুনামগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের হবতপুর গ্রাম সুরমার ভাঙনে বিলীন হতে চলেছে। গেল প্রায় ৪০ বছর ধরে এই গ্রাম নদী ভাঙনের শিকার। ইতিমধ্যে গ্রামের ৫০ পরিবারের জমি বাড়ি ভাঙনে পড়েছে। গৃহহীন হয়েছেন ২৫ পরিবার। নদী ভাঙন প্রতিরোধের কোনো উদ্যোগ নেই কর্তৃপক্ষের।
হবতপুর গ্রামের একাধিক বাসিন্দা জানান, দীর্ঘ ৪০ বছরে নদী ভাঙনে ৫০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। গ্রামের চলাচলের সড়ক, দোকানপাট, ফসলি জমি বিলীন হয়েছে নদীগর্ভে। বসতবাড়ি হারিয়েছেন ২৫ পরিবার। কিন্তু নদী ভাঙন প্রতিরোধের কোনো উদ্যোগ নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।
নদী ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেবার জন্য মৌখিক ও লিখিতভাবে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন গ্রামবাসী । কিন্তু এ পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয় নি।
ক্ষতিগ্রস্ত আজমিলা বেগম বলেন, “আমার বাড়ি ছিল, জমিও ছিল। এখন কোনো কিছইু নাই। এখন অন্যের বাড়িতে থাকছি।”ক্ষতিগ্রস্ত ছায়াতুন নেছা বলেন,” নদী ভাঙনে শুধু আমাদের ক্ষতি হয়নি, ক্ষতি হয়েছে অর্ধশত পরিবারের। গৃহ হারা হয়েছেন অনেকে। নদী সংস্কারে কোনো উদ্যোগ নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।”শাহানারা বেগম বলেন,” আমার বাড়ি-ঘর সব কেড়ে নিলো সুরমা নদীর ভাঙনে।”আব্দুর রহমান বলেন, “অর্ধেক গ্রাম নদীতে বিলীন হয়েছে। অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। জরুরিভাবে এই ভাঙন প্রতিরোধ প্রয়োজন।”লক্ষণশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ও গ্রামের বাসিন্দা ফখরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে মৗখিক ও লিখিতভাবে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু ভাঙন প্রতিরোধে কোনো উদ্যোগ নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।”লক্ষণশ্রী ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, “হবতপুর এলাকায় নদী ভাঙনে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা না নিলে মানুষ আরও ক্ষতির সম্মুখিন হবেন।”
সুনামগঞ্জের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সবিবুর রহমান বলেন,” স্থায়ী নদী শাসনের জন্য প্রকল্প দাখিল করা হয়েছে। এখনও প্রক্রিয়াধিন আছে এই প্রকল্প প্রস্তাবনা।”

সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD